শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫

| ২০ চৈত্র ১৪৩১

Campus Bangla || ক্যাম্পাস বাংলা

‘লং মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি প্রাথমিকে চাকরিপ্রার্থীদের 

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮:৩১, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫

‘লং মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি প্রাথমিকে চাকরিপ্রার্থীদের 

চাকরিতে অবিলম্বে যোগদান দাবিতে এবার ‘লং মার্চ টু ঢাকা’ ও ‘জাস্টিস ফর টিচার’ কর্মসূচি দিয়েছেন প্রাথমিকের সহকারি শিক্ষক পদে যোগদানের অপেক্ষায় থাকা চাকরিপ্রার্থীরা। চাকরিতে যোগদান নিশ্চিত করতেই হবে- এমন একদফা ঘোষনা করেছেন তারা। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শাহবাগে এ কর্মসূচি শুরু হবে তাদের। বুধবার সন্ধ্যায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে বিক্ষোভ শেষে এ কর্মসূচি দেন আন্দোলনকারিরা। গত বৃহস্পতিবার থেকে এই চাকরিপ্রার্থীরা টানা আন্দোলন কর্মসূচি পালন করে আসছেন। 

বুধবার তারা শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে সকালে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। পরে দুপুরে মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন। আন্দোলনকারিদের বিক্ষোভ চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত। সেখানে ‘লং মার্চ টু ঢাকা’ ও ‘জাস্টিস ফর টিচার’ কর্মসূচি ঘোষনা করে শাহবাগে জাতীয় যাদুঘরের সামনে অবস্থান কর্মসূচিতে ফিরে আসেন।

আন্দোলনরত চাকরিপ্রার্থী মুহাইমিনুল আমিন পিয়াল বলেন, যৌক্তিক দাবি আদায়ের লক্ষ্যে এক সপ্তাহ ধরে আন্দোলন করে আসছি। আমাদের আন্দোলন দমাতে পুলিশ দফায় দফায় লাঠিচার্জ, জলকামান, টিয়ারশেল নিক্ষেপ করেছে। আমাদের ভাই-বোনদের ওপর আঘাত করে তাদের আহত করা হয়েছে। যৌক্তিক দাবির জন্য এত আন্দোলন করতে হবে কেন? তিনি বলেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চলমান থাকবে। 

পিয়াল বলেন, আমাদের ন্যায্য দাবির আন্দোলনে সরকার কোন গুরুত্ব দিচ্ছে না। জুলাই বিপ্লবের আগে এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল। আগের নিয়ম মেনে দুই ধাপে শিক্ষকরা চাকরিতে যোগদান করেছেন। তাহলে একই বিজ্ঞপ্তির আওতায় আবেদন করে কেন আমাদের নিয়োগ বাতিল করা হবে? এমন অবিচার মেনে নেওয়া হবে না।

আন্দোলনকারিরা বলেন, যত দিন পর্যন্ত আমাদের দাবি মানা না হবে আমরা রাজপথে থাকব এবং আমাদের কর্মসূচি চলমান থাকবে। হাই কোর্টের সিদ্ধান্ত বাতিল করা না হলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়।
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে উত্তীর্ণ ৬ হাজার ৫৩১ প্রার্থীকে নিয়োগপত্র দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্ত বাতিল করে রায় দেন হাই কোর্ট। এর আগে ১৯ নভেম্বর এঁদের নিয়োগপত্র প্রদানের সিদ্ধান্ত স্থগিত করেন হাই কোর্ট। কোটা পদ্ধতি অনুসরণ করে নিয়োগ দেওয়ায় আদালত এ আদেশ দেন।