পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের ছয় শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে দমন, নিপীড়ন ও হয়রানির অভিযোগ এনে শাস্তির দাবিতে স্মারকলিপি দিয়েছেন বিভাগের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। অভিযুক্ত ছয়জন শাখা ছাত্রলীগের বিভিন্ন পদে আসীন ছিলেন।
তারা হলেন- সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নাইমুর নাহিদ ইমন, সাবেক দপ্তর সম্পাদক শেহজাদ হাসান, সাবেক সহসম্পাদক মো. হাসান, ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের সভাপতি রাকিবুল হাসান শুভ, সাধারণ সম্পাদক তৌফিক হৃদয় এবং ছাত্রলীগ কর্মী রনজু মাহমুদ।
বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামানের কাছে এই স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, আমরা পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ এই স্মারকলিপির মাধ্যমে আমাদের ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর ঘটে যাওয়া হয়রানি ও নির্যাতনের বিষয়টি আপনার দৃষ্টিগোচর করতে চাই। আমাদের উপর বেশ কয়েকজন ছাত্রলীগ কর্মী যে ধরনের হয়রানি ও নির্যাতন করেছে তা অত্যন্ত দুঃখজনক ও উদ্বেগজনক। এ পরিস্থিতি শুধু শিক্ষার্থীদের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যকেই ক্ষতিগ্রস্থ করেনি বরং আমাদের শিক্ষাজীবনকেও মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করেছে। এই হয়রানি এবং নির্যাতনের বিরুদ্ধে কিছু দাবি পেশ করতে চাই। ১। নির্যাতনকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনী ব্যবস্থা এবং শাস্তির আওতায় আনা হোক। অভিযুক্ত শিক্ষার্থীরা হলেন ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের নাইমুর নাহিদ ইমন (৯ম ব্যাচ), তৌফিক হৃদয় (১০ম ব্যাচ), শেহজাদ হাসান (১০ম ব্যাচ), রাকিবুল হাসান শুভ (১০ম ব্যাচ), মো. হাসান (১১তম ব্যাচ), রনজু মাহমুদ (১১তম ব্যাচ)
এ বিষয়ে বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান বলেন, আমি ব্যাক্তিগত কাজে ঢাকায় যাওয়াতে রেজিস্ট্রার বরাবর শিক্ষার্থীদের অভিযোগ পত্রটি জমা দিতে পারিনি। আগামীকাল (শনিবার) এটি রেজিস্ট্রার বরাবর জমা দিবো।
তিনি আরও বলেন, আগামীকাল (শনিবার) ১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ফাইনাল ভাইভার ডেট দেওয়া আছে। এখন কে আসবে আর কে আসবে না সেই দায়িত্ব আমরা নিবো না।
#এসএন